1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
মসজিদে নববি: এক ঐতিহাসিক স্থাপনার গৌরবময় নির্মাণগাঁথা - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন মশার কয়েল জ্বালাতে বিস্ফোরণে দগ্ধ পোশাকশ্রমিক দম্পতি

মসজিদে নববি: এক ঐতিহাসিক স্থাপনার গৌরবময় নির্মাণগাঁথা

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২২৫ বার পঠিত
মসজিদে নববি
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

হিজরতের বছর ৬২২ সালে শুরু হয়েছিল মসজিদে নববির নির্মাণকাজ। প্রায় সাত মাস সময় ধরে ৬২৩ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এর কাজ চলতে থাকে। মদিনায় পৌঁছানোর পর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর উট কাসওয়া যে জায়গায় বসেছিল, সেই স্থানেই গড়ে ওঠে এই ঐতিহাসিক মসজিদ। জায়গাটি ছিল দুই এতিম বালক সাহল ও সোহাইলের মালিকানায়। দশ দিনার মূল্যে জায়গাটি কেনা হয়, যার অর্থ প্রদান করেন হজরত আবু বকর (রা.)। সেই জায়গার এক অংশে নবীজির (সা.) জন্য বাসস্থান এবং বাকি অংশে মসজিদ নির্মাণ করা হয়।

হাদিসে বলা হয়েছে, নবীজি (সা.) হিজরতের পর মদিনায় এসে বনি আমর ইবনে আওফ গোত্রের এলাকায় চৌদ্দ রাত অবস্থান করেছিলেন। এসময় বনি নাজ্জার গোত্রের লোকেরা নবীজিকে (সা.) ঘিরে রাখে, প্রত্যেকেই আশায় ছিল যে নবীজি (সা.) তাদের মেহমান হবেন। তবে আল্লাহর নির্ধারণ অনুযায়ী উটটি গিয়ে থামে আবু আইয়ুব আনসারি (রা.)–র বাড়ির সামনে। নবীজি (সা.) সেখানেই থেকে যান।

সাহাবি আনাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, যেখানে নবীজির (সা.) উট থেমেছিল, সেখানে ছিল একটি বাগান। বাগানটিতে ছিল কিছু খেজুরগাছ, কবর এবং পুরনো ধ্বংসাবশেষ।

নামাজের সময় হলে নবীজি (সা.) যে কোনো পবিত্র স্থানে নামাজ আদায় করতেন। পরবর্তীতে মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব পেয়ে নবীজি (সা.) বনি নাজ্জার গোত্রের নেতাদের কাছে ডাক পাঠান। তাদের আসার পর তিনি বলেন, “হে বনি নাজ্জার, তোমাদের এই বাগানটি আমি অর্থের বিনিময়ে কিনতে চাই।”

তারা উত্তরে বলল, “আল্লাহর শপথ, আমরা এই জমি অর্থের বিনিময়ে দেব না। আমরা একমাত্র আল্লাহর কাছেই এর প্রতিদান চাই।”

তাদের সম্মতি পেয়ে নবীজি (সা.) নির্দেশ দিলেন, বাগানের খেজুরগাছগুলো কেটে ফেলা হোক, কবরগুলো সরিয়ে নেওয়া হোক এবং ধ্বংসাবশেষগুলো পরিষ্কার করা হোক। পবিত্র জায়গায় নামাজের বাধা না থাকায় মসজিদ নির্মাণ শুরু হলো।

তারা খেজুরগাছের গুঁড়ি এনে কিবলার দিকে সারি করে রাখল এবং দরজার পাশে পাথর বসিয়ে দিল।

আনাস (রা.) বলেছেন, কাজ চলাকালীন তারা একসঙ্গে কবিতা আবৃত্তি করতেন। নবীজি (সা.)-ও তাদের সঙ্গে এক জায়গায় আবৃত্তি করছিলেন:

“হে আল্লাহ! আখিরাতের কল্যাণই প্রকৃত কল্যাণ। তুমি আনসার এবং মুহাজিরদের সাহায্য করো।” (মুসলিম, হাদিস: ৫২৪)

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..